শুদ্ধভাবে হরিনাম জপের  আটটি ব্যবহারিক কৌশল
শুদ্ধভাবে হরিনাম জপের আটটি ব্যবহারিক কৌশল
✍ শচীনন্দন স্বামী
১৭ জুলাই ২০২৬
বর্ষ: 2025  |  ইস্যু: ২য় সংখ্যা

জপের উন্নত স্তরে অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য কি কোনো ব্যবহারিক পদ্ধতি আছে? এক্ষেত্রে পূর্বে অনেক ভক্তই নিম্নোক্ত ৮টি নিয়ম পালন করে সফলতার সাথে হরিনামের উন্নত স্তরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। এই নিয়মগুলো প্রথমে যান্ত্রিক উপায়ে শুরু হলেও পরবর্তীকালে এগুলো ক্রমান্বয়ে অভ্যন্তরীণ মনোবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের দিকে পরিচালিত করে।

১. প্রস্তুতি: আগের দিনই পরিকল্পনা করুন —  “কাল সকালে আমি পূর্ণ মনোযোগের সাথে জপ করব। তাই আজ তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাব।”

২. পরদিন খুব ভোরে উঠে জপ শুরু করুন। চিত্তবিক্ষেপ হতে পারে এমন স্থান হতে দূরে থেকে ভক্তসঙ্গে অথবা অন্য কোথাও, যেখানে আপনি সবচেয়ে বেশি মনযোগে জপ করতে পারবেন সেখানে গিয়ে জপ করুন। যদি মন চঞ্চল হতে শুরু করে, তখন প্রার্থনা অথবা শ্বাস—প্রশ্বাসের অনুশীলন দ্বারা একে শান্ত করুন।

. জপ করার সময় —

    ক. কোনো বিরতি ছাড়াই আপনার মালা সম্পন্ন করুন।

  খ. হরিনামের স্পষ্ট উচ্চারণের দিকে খেয়াল রাখুন।

   গ. সোজা হয়ে বসুন। (সবসময় সোজা হয়ে বসা ভালো, এটা সত্ত্বগুণের প্রতীক। শুয়ে জপ করা তমোগুণ এবং হেঁটে হেঁটে জপ করা রজোগুণ নির্দেশক।)

৪. শব্দ তরঙ্গে মনকে নিবদ্ধ করুন।

৫. মনকে নিয়ন্ত্রণ করুন —

    ক. যখন মন ছোটাছুটি করে তখন একে ধরে আনুন।

   খ. একদিন, একসপ্তাহ বা এক বছর আগে কী ঘটেছে এগুলো অনুসন্ধান হতে বিরত থাকুন।

   গ. জপকালে দিনের কার্যতালিকার পরিকল্পনা করা পরিত্যাগ করুন। (যদি এমন কোনো চিন্তা মাথায় আসে, যেমন কেনাকাটা ইত্যাদি, সেক্ষেত্রে অল্প কিছুক্ষণের জন্য জপ বিরতি দিয়ে বিষয়গুলো লিখে মনকে শান্ত করে আবার জপ করুন।) 

বিষাদযুদ্ধ জয়  ও ভগবদ্গীতার  প্রাসঙ্গিকতা
বিষাদযুদ্ধ জয় ও ভগবদ্গীতার প্রাসঙ্গিকতা
আর্য সভ্যতা
আর্য সভ্যতা
সনাতন ধর্মের মৌলিক পর্ব-৪ (ঈশ্বর রহস্য—২)
সনাতন ধর্মের মৌলিক পর্ব-৪ (ঈশ্বর রহস্য—২)
শ্রীকৃষ্ণই কি বেদের বিষ্ণু?
শ্রীকৃষ্ণই কি বেদের বিষ্ণু?
ক্ষমা
ক্ষমা