ক্ষমা কেবল অপরাধীকেই নয়, ক্ষমাকারীকেও শুদ্ধ করে। এতে অহংকার দূর হয় এবং হৃদয়ে বিনম্রতা গড়ে ওঠে। সঠিক মনোভাব নিয়ে ক্ষমা করতে পারলে মানুষের চরিত্র পরিশুদ্ধ হয় এবং সে ভগবানের কৃপা লাভে যোগ্য হয়ে ওঠে
বঙ্গদেশে শক্তিপূজার সবচেয়ে বহুল প্রচলিত ও জনপ্রিয় রূপ হলো দেবী কালিকা। এজন্য বিভিন্ন দেশে আদ্যাশক্তির বিভিন্ন রূপে পূজার প্রাধান্য প্রসঙ্গে ব্রহ্মযামলে উল্লেখিত আদ্যাস্তোত্রে বলা হয়েছে — ‘কালিকা বঙ্গদেশে চ, অযোধ্যায়ং মহেশ্বরী’। অবশ্য কালীমাতার এই প্রভাব বুঝতে আমাদের শাস্ত্র পর্যন্ত না গেলেও চলবে; যেকোনো এলাকার প্রধান ও সবচেয়ে জনপ্রিয় মন্দিরটি সাধারণত কালী মন্দির, যা বাঙ্গালি সংস্কৃতিতে কালীর শক্তিশালী প্রভাবকেই চিহ্নিত করে। ভারতের অন্য অঞ্চলে কালী মন্দিরের এতো আধিক্য চোখে পড়ে না।
লোকমুখে একটি কথা প্রচলিত আছে, খুঁজলে নাকি সবকিছু পাওয়া যায়। কিন্তু এমন কোনো ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া যাবে কি যিনি আনন্দে থাকতে চান না এই পৃথিবীতে? আসলে এটি সম্ভব নয়। বেদান্ত সূত্রে জীবাত্মা ও পরমাত্মার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। “আনন্দময়োঅভ্যাসাৎ”। অর্থাৎ ভগবান হচ্ছেন সমস্ত আনন্দের উৎস এবং নিত্য আনন্দময়। যেহেতু জীবাত্মাও ভগবানের অংশ, তাই জীবাত্মাও স্বরূপে নিত্য আনন্দময় অর্থাৎ জীব সর্বদাই আনন্দের খোঁজ করে। কিন্তু আমরা দেখি জীব এই জগতে নানাভাবে দুঃখভোগ করে এবং হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।
“হে ভগবান, আপনার যে দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে শ্রীমদ্ভাগবত এবং ভগবদ্গীতায় মানুষের ধর্ম উপদিষ্ট হয়েছে, সেই দৃষ্টি কখনো জীবনের চরম উদ্দেশ্য থেকে বিচলিত হয় না। যাঁরা আপনার পরিচালনায় সেই ধর্ম অনুশীলন করেন, তাঁরা স্থাবর ও জঙ্গম সমস্ত জীবের প্রতিই সমদৃষ্টি-সম্পন্ন, এবং তাঁরা কখনো উচ্চ-নিচ বিচার করেন না। তাঁদের বলা হয় আর্য। এই প্রকার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিরা পরমেশ্বর ভগবান আপনারই উপাসনা করেন।” (ভাগবত ৬.১৬.৪৩) ভাগবত-ধর্ম এবং কৃষ্ণকথা একই। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু চেয়েছিলেন যে, সকলেই যেন গুরু হয়ে ভগবদ্গীতা, শ্রীমদ্ভাগবত, পুরাণ, বেদান্ত-সূত্র আদি বৈদিক শাস্ত্র থেকে কৃষ্ণ-উপদেশ সর্বত্র প্রচার করেন। সভ্যতায় অগ্রণী আর্যেরা ভাগবত-ধর্ম অনুসরণ করেন। প্রহল্লাদ মহারাজ পাঁচ বছর বয়স্ক বালক হওয়া সত্ত্বেও উপদেশ দিয়েছেন
অমৃতের সন্ধানে
ই-ম্যাগাজিন
এযাবৎ প্রকাশিত সকল ম্যাগাজিনের সংগ্রহ
অলৌকিক বিষয়গুলোকে প্রায়ই বিজ্ঞানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হয়। অলৌকিক বিষয়গুলো আকস্মিক, বিধিবহির্ভূত এবং এমনকি অস্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক ঘটনাবলির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উদাহরণস্বরূপ সমুদ্রের দ্বিখণ্ডিত রূপ, পর্বতের ভাসমান অবস্থা, পানির উপর দিয়ে হাঁটা ইত্যাদি।
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত গ্রন্থটি কেনার জন্য নিচে ক্লিক করুন
অলৌকিক বিষয়গুলোকে প্রায়ই
বিজ্ঞানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হয়। অলৌকিক বিষয়গুলো আকস্মিক,
বিধিবহির্ভূত এবং এমনকি অস্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক ঘটনাবলির সঙ্গে
সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উদাহরণস্বরূপ সমুদ্রের দ্বিখণ্ডিত রূপ, পর্বতের
ভাসমান অবস্থা, পানির উপর দিয়ে হাঁটা ইত্যাদি। বিজ্ঞান হলো
প্রাকৃতিক ঘটনার নিয়মতান্ত্রিক পর্যালোচনা; শাস্ত্রের দৃষ্টিতে
এসব ঘটনা ঈশ্বরের অলৌকিক লীলার প্রকাশ।
— পঙ্কজ কানাইদাস
আপনাদের প্রশ্ন আমাদের উত্তর
পারমার্থিক যেকোনো প্রশ্ন লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের ঠিকানায়।
পাঠকগণের মন্তব্য
পাঠকদের অভিজ্ঞতা ও মতামত
অলৌকিক বিষয়গুলোকে প্রায়ই বিজ্ঞানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হয়। অলৌকিক বিষয়গুলো আকস্মিক, বিধিবহির্ভূত এবং এমনকি অস্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক ঘটনাবলির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উদাহরণস্বরূপ সমুদ্রের দ্বিখণ্ডিত রূপ, পর্বতের ভাসমান অবস্থা, পানির উপর দিয়ে হাঁটা ইত্যাদি। বিজ্ঞান হলো প্রাকৃতিক ঘটনার নিয়মতান্ত্রিক পর্যালোচনা; শাস্ত্রের দৃষ্টিতে এসব ঘটনা ঈশ্বরের অলৌকিক লীলার প্রকাশ।
— পঙ্কজ কানাইদাস